bestearnidea.com

Online earning site will help you how to earn money

ওয়েব সাইটের লোড কমানোর উপায়

Share

ওয়েব সাইটের লোড কমানোর উপায়

 

ব্লগের লোডিং টাইম কমানোর উপায়

আপনার ব্লগের লোডিং টাইম বৃদ্ধি পেলে আপনার Website ranking এ প্রচুর প্রভাব পড়বে?

আপনার হয়তো অনেকেই জানিনা ওয়েবসাইটের জন্য আইডিয়াল ছবির ফরম্যাট হচ্ছে .jpg ফরম্যাট।

কিন্তু আমরা অনেকেই ওয়েবসাইটের স্লাইডার কিংবা প্রোডাক্ট ইমেজে .png, .gif সহ বড় রেজুলেশানের ফাইল ব্যবহার করি ফলে দেখা যায় এই ছবিগুলো

লোড হতে হতে পেইজের লোডিং টাইম বেড়ে যায়।

সঠিক ফরম্যাটে কোডিং করে করা ওয়েবসাইট টেমপ্লেট কিংবা থিম ব্যবহার করার কারনে। অনেক থিম বা টেমপ্লেটেই বিশেষ করে পাইরেটেড থিম/টেমপ্লেটগুলোতে

কোডিং স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার না করার কারনে ওয়েবসাইট লোডিং টাইম বেড়ে যায়।

website%2Bloading%2Btime

ওয়েবসাইট স্পিড টেষ্ট ও অপটিমাইজেশানঃ

ওয়েবসাইটের স্পিড বাড়ানো এবগ পেইজ লোডিং টাইম কমানোর আগে আমাদের আগে চেক করতে হবে কি কি কারনে আমাদের ওয়েবসাইট স্লো হচ্ছে।

ইন্টারনেটে এই স্পিড চেকের জন্য অনেকগুলো ওয়েবসাইটেই আছে। এর মধ্যে যেগুলো আমরা ব্যবহার করবো সেগুলো হল।

 

  1. PageSpeed Insights
  2. GTmetrix
  3. Pingdom

 

ওয়েবসাইট গুলোতে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে চেক করে নিন, কি কারনে আপনার ওয়েবসাইট স্লো হচ্ছে এবং সাইটের মোট টোটাল লোডিং টাইম কত। একেকজনের ওয়েবসাইটের একেক সমস্যা হতে পারে তবে আমি জেনারেল হিসাব করে সাজেশান দিচ্ছি।

 

Google সবসময় website এর লোডিং টাইম ranking হিসেবে বিবেচনা করে থাকে, তাই আমাদের উচিত আমাদের নিজস্ব ব্লগ বা ওয়েবসাইটের লোডিং টাইম কমানো। তাছাড়া ভিজিটর গন যদি আপনার সাইটে এসে লোডিং জনিত সমস্যায় পড়ে তাহলে ভিজিটর হারানোর সম্ভাবনা থাকে।

আপনি যদি একজন ব্লগার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে উচ্চ ধরনের নোটিশ দেওয়া হবে যে, এখনি আপনার ব্লগের লোডিং টাইম পরীক্ষা করুন এবং যদি এটা খুব বেশি পরিমানে হয় যা আপনার নিজের কাছেই বিরক্ত লাগে তাহলে এখনি এটি কমানোর চেষ্টা করুন।

এই আর্টিকেলের মধ্যে আমি দেখাব কীভাবে আপনার ব্লগের লোডিং টাইম কমাবেন।

আপনি কি জানেন যে একটি ই-কমার্স জাতীয় সাইট প্রতিদিন $100,000 পর্যন্ত আয় করে থাকে?

একটা জরিপে দেখা গেছে যে, যদি প্রতিদিন ১ সেকেন্ড করে লোডিং টাইম বেশি হয় তাহলে এক বছরে এর ফলে $2.5 মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয় ! গবেষণায় আরো দেখা গেছে যে, ৪৭% এর চেয়ে বেশি ভিজিটর এটা প্রত্যাশা করে যে, আপনার ব্লগে

ভিজিট করার সময় সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ সেকেন্ড হওয়া উচিত।

৪০% এর মত ভিজিটর আপনার সাইট ত্যাগ করার একমাত্র কারণ এই লোডিং টাইম ।

তাছাড়া আপনার সাইট যদি google adsense এ রেজিষ্টেশন করা থাকে তাহলে google adsense এর অ্যাকাউন্ট ও হারিয়ে যাবার ভয় থাকে।

তাহলে শুরু করা যাক যে, কীভাবে আপনার ব্লগের লোডিং টাইম কমিয়ে এটিকে ফাষ্ট ব্লগে পরিণত করা যায়।

 

১. অপ্রত্যাশিত প্লাগইন বাদ দিন: বেশির ভাগ ব্লগ সাইট WordPress দিয়ে করা হয়ে থাকে। WordPress ব্যবহারকারীদের একটা সুবিধা রয়েছে যে তারা প্লাগইন ব্যবহার করে অনেক ধরনের কাজ সম্পাদন করতে পারে খুব সহজেই।

কিন্তু মাঝে মাঝে এই সুবিধাই পেজ লোডিং টাইম বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাড়াতে পারে।

আমাদের মধ্যে্ অনেকেই প্রচুর পরিমানে প্লাগইন ব্যবহার করে থাকে যার ফলে আমাদের সার্ভার ডাউন হওয়ার মত ধীর গতিতে কাজ করে।

 

নিম্নে WordPress প্লাগইন ব্যবহারের কিছু টিপস রয়েছে:

 

১. Unwanted Plugins বাদ দিন:

blogger importer, All in one favicon ইত্যাদি প্লাগইন কখনওই ব্যবহার করবেন না।

তাছাড়া Social share plugins যদি আপনার ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়ে থাকে তাহলে মাত্র একটি ব্যবহার করুন।

একাধিক Social share plugins ব্যবহার করলে সাইট লোড হতে প্রচুর সময় নেয়।

Pinterest এর Pin it করার জন্য কোন প্লাগইন ব্যবহার করবেন না। যদি আপনার Pinterest Pin it ব্যবহার করার দরকার হয় তাহলে আপনি shareahoilc নামক একটি WordPress plugin ব্যবহার করতে পারেন যেটির মাধ্যমে Pin it নামে একটি বাটন ‍ডিফল্ট ভাবেই থাকে।

এই প্লাগইনটি ব্যবহারে পেজ লোডিং জনিত সমস্যায় পড়তে হয় না।

 

২. ভাল প্লাগইন এর ব্যবহার : 

আমাদের মধ্যে অনেকেই WordPress site এ Social Share এর জন্য একটি প্লাগইন, মোবাইল ভার্সন করার জন্য একটি প্লাগইন ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু এমন কিছু প্লাগইন যা এক সাথে অনেক গুলো প্লাগইনের কাজ করে থাকে। 

jetpack plugin নামে ওয়ার্ডপ্রেসের একটি প্লাগইন রয়েছে যা এক সাথে অনেক কাজ করে। এছাড়াও  yoast plugin নামে ওয়ার্ডপ্রেসের আরেকটি প্লাগইনের সাহায্যে আপনি এক সাথে Separate analytics, ‍sitemap এবং SEO Plugins এর কাজ করতে পারবেন।

এ ধরনের আরো প্লাগইন রয়েছে যার সাহায্যে এক সাথে অনেকগুলো কাজ করা যায়। এগুলো ব্যবহার করবেন। তাহলে সাইট লোড নিতে কম সময় নিবে।

 

২. অবশ্যই একটি ভাল ও বিশ্বস্ত হোষ্ট ব্যবহার করুন।

 

আপনার ওয়েবসাইটটিকে একটি ভাল এবং বিশ্বস্ত হোষ্ট এ হোষ্টিং করুন। কারণ ভাল এবং বিশ্বস্ত হোষ্টের মধ্যে হোষ্টিং না করলে সাইটে লোডিং হতে খুব বেশি সময় নিতে পারে, এমনকি কখনও কখনও Site Temporally Unable লেখা আসবে যার কারণে আপনার সাইটকে আপনি ভিজিট-ই করতে পারবেন না !

ছোট ছোট ব্লগ ও ওয়েব সাইটের জন্য আমি সুপারিশ হিসেবে আপনাকে illinhost.com  ব্যবহার করার জন্য বলব। কিন্তু আপনি যদি কোন প্রফেশনাল ওয়েব সাইটের জন্য হোষ্টিং নিতে ভাবছেন তাহলে আমি আপনাকে বলব abasaya.com এ হোষ্টিং করার জন্য।

 

৩. একটি ভাল থিম বিনিয়োগ করুন:

ভাল একটি থিম একটি ব্লগের রুপকেই পরিবর্তন করে দেয়। আপনি যদি সত্যিই ব্লগিং করে একজন সফল ব্লাগার হতে চান তাহলে অবশ্যই কোন ফ্রি থিম ব্যবহার করবেন না।

কারণ ফ্রি থিমে অনেক সমস্যা থাকে। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল খুব নিম্নমানের কোডিং করা থাকে। যা প্রফেশনাল বাজারে প্রভাব ফেলে না। তাছাড়া এই ফ্রি থিমের মধ্যে এমন কিছু কোড করা থাকে যা হ্যাকারদের আপনার ওয়েবসাইট হ্যাক করতে আমন্ত্রণ জানায়। সর্বোপরি ফ্রি থিমের কিছু দুর্বল কোডের কারণে এটি লোড হতেও খুব বেশি সময় নেয়।

 

৪. আপনার images গুলো অপটিমাইজ করুন।

আমরা সব সময় বেশি ছবি আপলোড করতে আগ্রহী। কিন্তু আপনি কী জানেন যে, সাইটের লোডিং টাইম বেশি হওয়ার মূল কারণ হল সাইটে ছবি বেশী হওয়া? সাইটে ছবি বেশি হলে ছবি গুলো লোড হতে সময় বেশি লাগে যা প্রভাব পড়ে সম্পূণ সাইটে।

 

ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে ছবি Optimize করা :

 

১.  smush it plugin ব্যবহার করার মাধ্যমে ছবির সাইজ ছোট করুন। এটি Yahoo এর একটি সার্ভিস যা ছবির গুণগত মান ঠিক রেখে ছবির সাইজ কমিয়ে থাকে।

 

২. যদি আপনার ছবিগুলো png ফরম্যাটে হয়ে থাকে তাহলে আপনি TinyPNG নামের একটি অনলাইন টুল ব্যবহার করতে পারেন যেটি png ফরম্যাটের ছবির গুনগত মান ঠিক রেখে এটির সাইজ ছোট করে।

 

৪. lazy load নামের একটি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন ব্যবহার করুন যেটি সাইটে লোড নিবে কিন্তু ভিজিটর জানতে পারবে না। অর্থ্যাৎ ভিজিটর যখন সাইট এ ভিজিট করবে তখন যেটুকু ভিজিট করবে সেটুকু লোড হবে। আবার যখন সে নিচের দিকে মাউস দিয়ে স্ক্রল করবে তখন লোড হবে নিচের টুকু। এভাবে লোড হলে ভিজিটর বুঝতেই পারবে না যে সাইটে লোড হচ্ছে।

 

৫. CND ব্যবহার করুন: 

CDN (Content delivery network) হল web servers এর একটি network যেটি আপনার আর্টিকেল বিভিন্ন দেশে পৌছে দিয়ে থাকে।

মনে করুন আপনার একটি হোটেল রয়েছে এবং আপনার কিছু বন্ধু ভিন্ন ভিন্ন রুমে অবস্থান করছে। রুম গুলো horizontal ভাবে আছে।

এখন আপনি যদি চান যে আপনার সব বন্ধুকে একটি একটি করে কফি দিতে চান তাহলে কত সময় লাগবে? আপনি এক সাথে সবগুলো কপি নিয়ে যাবেন এবং প্রত্যেক রুমে একটি করে দিয়ে আসবেন। এভাবে করলে বার বার কফি নিতে আসা লাগবে না।

কারণ আপনি একবারেই সব নিয়ে গেছেন। CDN ও ঠিক সেই ভাবে কাজ করে থাকে।

 

৭. আপনার Homepage এ বেশি পোষ্ট রাখবেন না।

অনেক ধরনের থিম রয়েছে যেগুলোর মধ্যে হোম পেজে পোষ্ট এর সংখ্যার জন্য একটি অপশন রয়েছে। ফলে আপনি সহজেই পোষ্টের সংখ্যা বাড়াতে বা কমাতে পারেন। সবসময় আপনার হোমপেজের মধ্যে পোষ্ট এর সংখ্যা ৭ এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন, কিংবা সর্বোচ্চ ১০ । যদি আপনি আপনার সাইটে গতিশীল করতে চান।

আপনি Settings > Reading অপশন থেকে আপনার WordPress এর হোমপেজের পোষ্টের সংখ্যা নির্ধারণ করে দিতে পারেন।

 

page%2Bshow%2Bat%2Bmost

 

 

 

৮. ওয়েবসাইটের একদম উপরে JavaScripts ব্যবহার করবে না।

ওয়েবসাইটের একদম উপরে JavaScripts ব্যবহার করবেন না কারণ JavaScripts ব্যবহারে ওয়েব সাইট প্রচুর পরিমানে সময় নেয় লোড নিতে।

যদি  আপনার ব্যবহার করা একান্তই প্রয়োজন পড়ে তাহলে ওয়েব সাইটের নিচে (footer) ব্যবহার করুন। এতে আপনার সব আর্টিকেল লোড হওয়ার পরে এই কোডগুলো লোড হবে। যার ফলে ভিজিটর এই Third Party Code গুলোর ফলে যেই কাজটা হবে সেটা লোড হওয়ার আগেই আর্টিকেল পেয়ে যাবে। সুতরাং সে বুঝতে পারবে না যে, পেজটি লোড হতে বেশি সময় নিয়েছে।

 

৯. অধিক পরিমানে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করিবেন না।

আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন থাকতেই পারে। তবে বিভিন্ন ব্যানার এবং GIF এ্যানিমেশন আপনার সাইটের লোডিং সময় বৃদ্ধি করে।

এমনকি Google AdSense সব সময় আপনাকে asynchronous format এ আপনার এ্যাড বসাতে বলে কারণ asynchronous format এ অ্যাড বসালে সাইটের লোডিং সময় জনিত কোন সমস্যা হয় না।

Google AdSense থেকে এ্যাড নেওয়ার সময় Asynchronous নির্বাচন করুন।

 

10. সার্ভারের গোলমাল কমান:

যদি আপনার সাইট এক বছরের বেশি পুরোনো হয়ে থাকে তাহলে সেখান থেকে সংযুক্ত অপ্রয়োজনীয় codes এবং scripts গুলো সরিয়ে ফেলুন। এতে আপনার সাইটের লোডিং সময় খুব কমে যাবে।

এছাড়াও বেশ কিছ প্লাগইন যা আপনার এখন তেমন একটা প্রয়োজন নেই সেগুলো Remove করে ফেলুন। কারণ আমি আগেই বলেছি যে, বেশি প্লাগইন ব্যবহারের ফলে সাইটে লোড নিতে খুব বেশি সময় নেয়।

এছাড়াও আপনি যদি আপনার নিজস্ব হোষ্টিং এর মধ্যেই আপনার সাইটের অনলাইন ব্যাকআপ রাখেন তাহলে সর্বশেষ দুই বা একটি ব্যাকআপ রেখে বাকী গুলো ডিলেট করে দিন। এতে সাইটে লোডিং সময় কমে যাবে।

 

১১. সর্বাধিক প্রদর্শিত পেজগুলোর স্পিড বৃদ্ধি করুন।

আপনার সাইটে এমন কিছু পেজ অবশ্যই রয়েছে যা অন্যাণ্য পেজ থেকে একটু বেশি প্রদর্শিত হয়েছে। আপনি আপনার সর্বাধিক প্রদর্শিত পেজগুলো Google analytics থেকে দেখতে পারেন। সেই সাথে সেখান থেকে পেজগুলো অপটিমাইজ করে স্পিড বৃদ্ধি করতে পারেন।

 

কীভাবে এটি করবেন:

১. ছবিগুলো অপটিমাইজ করুন।

২. Third Party Ads গুলো ডিলেট করুন।

৩. সাইটবার থেকে অপ্রয়োজনীয় Widgets গুলো রিমোভ করুন।

১১. সবার শেষে একটি Caching Plugin ব্যবহার করুন।

মাঝে মাঝে আপনার সাইটের একদম শেষে একটি Caching Plugin ব্যবহারের মাধ্যমে আপনার সাইটের লোডিং সময় কমাতে পারেন। যেমন আপনি W3 total cache ব্যবহার করতে পারেন যেগুলো লোডিং সময় কমাতে সাহায্য করবে।

 

1 Comment

  1. Ahmed Sujan says:

    wow best advice, thanks for sharing

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

';
Share
Share