একজন নারী-পুরুষ ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ১৪ জন নারী-পুরুষের সাথে দেখা করতে পারবে।

0
19
একজন নারী-পুরুষ ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ১৪ জন নারী-পুরুষের সাথে দেখা করতে পারবে।

একজন নারী-পুরুষ ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ১৪ জন নারী-পুরুষের সাথে দেখা করতে পারবে।

একজন নারী-পুরুষ ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক ১৪ জন নারী-পুরুষের সাথে দেখা করতে পারবে।

মায়ের মত ৫ জন

১| নিজের মা
২| দুধ মা
৩| খালা
৪| ফুফু
৫| শাশুড়ী

বোনের মত ৫ জন

১| আপন বোন
২| দুধ বোন
৩| দাদী
৪| নানী
৫| নাতনী

মেয়ের মত ৪ জন

১| নিজের মেয়ে
২| ভাইয়ের মেয়ে
৩|বোনের মেয়ে
৪| পুত্রবধু

এমনিভাবে একজন মহিলার জন্যেও ১৪ জন পুরুষের সাথে দেখা দেওয়া বৈধ।

বাবার মত ৫ জন

১| নিজের বাবা
২| দুধ বাবা
৩| চাচা
৪| মামা
৫| শশুর

ভাইয়ের মত ৫ জন

১| আপন ভাই
২| দুধ ভাই
৩| দাদা ভাই
৪| নানা ভাই
৫| নাতী

ছেলের মত ৪জন

১| নিজের ছেলে
২| ভাইয়ের ছেলে
৩|বোনের ছেলে
৪| মেয়ের জামাতা

এছাড়া বাকিদের সাথে দেখা করা তো দুরের কথা, অযথা কথাবার্তা বলাও কবিরা গুনাহ..চাই তা সরাসরি হোক বা মোবাইল ফোনে হোক।
যে গুনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয়না। তাই আসুন আমরা সকলে এই গুনাহ থেকে বাচার চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন।
আমিন

ব্যক্তি ক্ষেত্রে পর্দার যে বিধান তাও ভিন্ন যেমন

স্বামী—স্ত্রী::-  স্বামী স্ত্রীর ক্ষেত্রে কোন পর্দা করতে হয়না, সবকিছুই দেখা বা দেখানো জায়েয তবে অকারণে লজ্জাস্তান দেখা,নির্লজ্জতার সামিল
মনে রাখতে হবে যে লজ্জা ইমানের অর্ধেক।

___আল হাদিস

নারী—নারী::-  নারীদের সাথে নারীদের নাভীর নিজ থেকে হাটুর উপর পর্যন্ত দেখা বা দেখানো জায়েয নেই। বাকি সব দেখা জায়েয তবে অকারণে
গোপন অঙ্গ দেখা লজ্জাহীনতার পরিচয়,আর লজ্জাই নারীর শেষ্ট সম্পদ।

মাহরাম পুরুষ::-  মাহরাম পুরুষদের ক্ষেত্রে মূখমন্ডল,হাতের কব্জির নিচের অংশ এবং পায়ের চূল গিরার নিচের অংশ দেখা বা দেখানো জায়েয তবে ফেৎনার আশংকা থাকলে সবার ক্ষেত্রে এইটার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বেমাহরাম::-  বেমাহরাম/পরপুরুষের ক্ষেত্রে সমস্ত শরীলই ঢেকে রাখা জরুরী, একান্ত জরুরী কাজে বাহিরে যেতে হলে সমস্ত শরীল ঢেকে যেতে হবে।

শেয়ার করে জানিয়ে দিন সবাইকে

LEAVE A REPLY