বেসিক প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল পার্ট-২

0
17

বেসিক প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল পার্ট-২

আমি প্রগ্রাম লিখার জন্ন CoodBlocks ব্যাবহার করবো, আপনারা চাইলে অন্ন কোন এডিটর ব্যবহার করতে পারেন,যাই হক আপনারা কম্পিউটারে একটি এডিটর ইন্সটল করেনিবেন।


ওকে আমরা একটা প্রগ্রাম লিখি
এখন আমরা কোড বা প্রোগ্রাম লিখব। নিচের কোডটি টাইপ করে ফেলেন এবং ফাইলটি সেভ করেন।
প্রোগ্রাম: ১.১

#include&nbsp;<stdio.h> int main () { printf("Hello World"); return 0; }

এবারে দেখা যাক আমি কী লিখেছি কোডে।
প্রথম লাইন ছিল:

#include <stdio.h>

, এটি কেন লিখেছি একটু পরে বলছি।
দ্বিতীয় লাইন ফাঁকা। দেখতে সুন্দর লাগে তাই।
তৃতীয় লাইন: int main()। এটিকে বলে মেইন ফাংশন।

সি প্রোগ্রামগুলো মেইন ফাংশন থেকে কাজ করা শুরু করে, তাই সব প্রোগ্রামে একটি (এবং কেবল একটি) মেইন ফাংশন থাকতে হয়।
মেইন ফাংশনের শুরুতে দ্বিতীয় বন্ধনী দিয়ে শুরু করতে হয় আর শেষও করতে হয় একটি দ্বিতীয় বন্ধনী দিয়ে।
শেষ করার আগে আমি return 0; লিখেছি,সেটি কেন এখন ব্যাখ্যা না করলেই ভালো হয়,ফাংশন নিয়ে যখন আলাপ করব তখন বলব।
তাই আপাতত আপনারা যেকোনো প্রোগ্রামে নিচের অংশটুকু লিখে ফেলবে:

int main()
{
এখানে কোড থাকবে।
return 0;
}

প্রোগ্রামের পরের লাইন খেয়াল করেন printf(“Hello World”); এটি একটি স্টেটমেন্ট। এখানে printf() হচ্ছে একটি ফাংশন যার কাজ হচ্ছে স্ক্রিনে কিছু প্রিন্ট করা। ডবল কোটেশন চিহ্নের ভেতরে যা লিখবে তা-ই স্ক্রিনে সে প্রিন্ট করবে।
এই ফাংশনটি স্ক্রিনে প্রিন্ট করে কীভাবে সেটি আসলে বলা আছে stdio.hনামে একটি ফাইলে।
এই ফাইলগুলোকে বলে হেডার (header) ফাইল (.h হচ্ছে হেডার ফাইলের এক্সটেনশন)।
stdio.h ফাইলে স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট আর আউটপুট-সংক্রান্ত যাবতীয় ফাংশন লেখা আছে,আমরা কেবল সেগুলো
ব্যবহার করব, ফাংশনগুলো কীভাবে কাজ করে সেটি এখন আমাদের জানার দরকার নেই। আর যেহেতু printf() ফাংশন ব্যবহার করেছি, তাই প্রোগ্রামের শুরুতে

#include <stdio.h>

লিখতে হয়েছে। এই রকম আরও অনেক প্রয়োজনীয় হেডার ফাইল আছে, যার কিছু আমরা পরবর্তী সময়ে কাজের প্রয়োজনে দেখব।
এখন একটি ব্যাপার খেয়াল করেন। printf(“Hello World”);-এর শেষে একটি সেমিকোলন রয়েছে। সি ল্যাঙ্গুয়েজে প্রতিটি স্টেটমেন্টের পরেই একটি সেমিকোলন থাকে। একটি স্টেটমেন্টের কাজ শেষ হলে পরের স্টেটমেন্টের কাজ শুরু হয়। return 0;ও একটি স্টেটমেন্ট, তাই এটিও সেমিকোলন দিয়ে শেষ করতে হয়েছে। শুরুর দিকে অনেকেই সেমিকোলন দিতে ভুলে যায়, তখন কম্পাইল এরর(compile error) হয়।
এবার Build মেনুতে গিয়ে Compile Current File-এ ক্লিক করতে হবে।
আপ্নি যদি প্রোগ্রামটি ঠিকভাবে টাইপ করে থাএন তবে কম্পাইলার আপনাকে বলবে যে 0 errors, 0 warnings, মানে – প্রোগ্রামে syntax ঠিক আছে।
এখন আবার Build মেনুতে গিয়ে Run-এ ক্লিক করেন। তাহলে তোমার প্রোগ্রাম চালু হয়ে যাবে।
এখানে দেখেন, আপ্নার প্রোগ্রামটি স্ক্রিনে Hello World প্রিন্ট করেছে। পরের লাইনে বলা আছেProcess returned 0 (0x0) আর execution time : 0.031 s মানে প্রোগ্রামটি চলতে 0.031 সেকেন্ড সময় লেগেছে। তারপরের লাইন হচ্ছে, Press any key to continue. কি-বোর্ডে Any key খুঁজে না পেলে অন্য যেকোনো কি চাপলেই চলবে।

আপ্নি যদি প্রোগ্রামটি ঠিকঠাকভাবে রান করাতে পারেন এবং Hello World লেখাটা দেখে থাকো তাহলে তাহলে ভালো।
আর ঠিকঠাকভাবে রান করাতে না পারলে আবার শুরু থেকে চেষ্টা করেন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিতে পারেন। কারণ এই প্রোগ্রাম না চালাতে পারলে বইয়ের পরের অংশ পড়ে তেমন একটি লাভ হবে না।

LEAVE A REPLY