কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ এবং ডিভাইসের বর্ণনা দেওয়া হলো।

0
16

কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ এবং ডিভাইসের বর্ণনা দেওয়া হলো।

কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ এবং উহাদের পরস্পরের মধ্যেকার আন্ত সংযোগ নিুের ব্লক চিত্রের মাধ্যমে দেথানো হলো।
কম্পিউটারের ব্লক চিত্র

ইনপুট ডিভাইস (Input device )

যে সমস্ত ডিভাইস বা যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটার ডাটা বা নির্দেশ গ্রহন করে সেদুঃখিত সূর্য না দেখে শুভেচ্ছার উওর দিতে পারলাম না।

গুলিকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। ডাটা এবং কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী ইনপুট ডিভাইস বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে।

কি-বোর্ড ও মাউস কম্পিউটারের অতি গুরুত্ত্ব পূর্ণ ইনপুট ডিভাইস। নিুে কতগুলি ইনপুট ডিভাইসের বর্ণনা দেওয়া হলো।

 

কার্ড-রিডার ( Card reader):

কার্ড-রিডারে কার্ড রাখলে কম্পিউটার কার্ডে রক্ষিত ইন্সট্রাকশনগুলো পড়ে নিয়ে সে অনুযায়ী কাজ করতে পারে।

তথ্যগুলো কার্ডে নির্দিষ্ট সংকেতের মাধ্যমে ছিদ্র আকারে লিখা থাকে। আধুনিক কালে আমাদের সচারাচর ব্যবহৃত কম্পিউটারে অবশ্য এর ব্যবহার নেই। কার্ড থেকে তথ্য পড়ার জন্য দুটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারে। একটি পদ্ধতি হচ্ছে ফটোইলেকট্রিক সেল অপরটি হচ্ছে তারের ব্রাশ।

তারের ব্রাশ পদ্ধতিতে কার্ডকে একটি রোলার ও তারের ব্রাশের মধ্য দিয়া চালনা করা হয়।

কার্ডের যেখানে ছিদ্র থাকে সেখানে ধাতব রোলারের সাথে ইলেকট্রিক সংষ্পর্শ পায় কিন্তু অন্যত্র পায়না। এভাবে তথ্য পড়ে নেয়।

ফটো ইলেকট্রিক সেল পদ্ধতিতে কার্ডের উপর লাইট সোর্স এবং নিচে ফটোইলেকট্রিক সেল থাকে। কার্ডের যেখানে ছিদ্র থাকে সেখানে সেলের উপর আলো পরে ফলে সেরে একটি ভোল্টেজ তৈরী হয়। এভাবে ডাটা পড়ে নেয়। কার্ড-রিডার প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ২০০০ ক্যারেক্টার রিড করতে পারে।

পেপার টেপ রিডার (Paper tape reader):

পেপার টেপ রিডার কার্ড-রিডারের মতোই। কার্ড রিডারে যেখানে শক্ত কার্ড ব্যবহার করা হয় সেখানে টেপ রিডারে ভিডিও টেপের মত লম্বা রোল করা কাগজে তথ্যগুলো ছিদ্র আকারে থাকে। পেপার টেপ চালনা করা হয় লাইট সোর্স আর লাইট ডিটেক্টরের মাধ্যমে। একটি সাধারণ পেপার টেপ রিডার প্রতি সেকেন্ডে ১০০০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ইনপুট ডিভাইসটিও আমরা সচারাচর দেখিনা বা ব্যবহার করিনা।

কি-বোর্ড ( Key Board)

কি-বোর্ড একটি অতি গুরুত্ত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস। এটি দেখতে অনেকটা টাইপরাইটারের মতো।

৮৪, ১০১, ১০২, ১০৫ কি সম্পন্ন কি-বোর্ড ছাড়াও মাল্টি-মিডিয় নিয়ন্ত্রেণ নব সম্বলিত কি-বোর্ড বাজারে পাওয়া যায়। কি-বোর্ড কে কানেকটিং কর্ডের মাধ্যমে সিষ্টেম ইউনিটের পিছনে কি-বোর্ড পোর্টে যুক্ত করা হয়। কি-বোর্ডে সাধারণতঃ ধাতব সার্কিটবোর্ড থাকে।

প্রতিটি কি এর নিচে সংযোগ বিহীন ধাতব ক্যাপাসিটিভ প্যাড ব্যবহার করা হয়। কোনো কি চাপলে কি-বোডের্র একটি ধাতব পাত, বৃত্তাকার প্লাষ্টিক প্যাডকে নিচে নামিয়ে ক্যাপাসিটিভ প্যাডের সাথে সংযোগ ঘটায়। এতে পাত দ্বয়ের মধ্যে ক্যাপাসিট্যান্স বৃদ্ধি পেয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। ফলে কি বোর্ড ঐ কি ডিটেক্ট করতে পারে। কি-বোর্ডের আভ্যন্তরীণ সার্কিট বোর্ডে সংযুক্ত প্রসেসরের সাহায্যে ঐ সনাক্তকারী কি

এর জন্য নির্ধারিত কোর্ড তৈরী করে সিপিইউকে প্রদান করে, এ কোডকে স্ক্যান কোড বলে। বর্তমানে কর্ডলেস কি-বোর্ড পাওয়া যায়।

এধরনের কি-বোর্ডের পিছনে দিকে ইনফ্রারেড লাইট ইমিটিং ডায়োড সংযুক্ত থাকে আর সিষ্টেম ইউনিটের সামনের দিকে থাকে ফটোডিটেক্টর রিসিভার। এ দুয়ের মাধ্যমে স্ক্যান কোড সিপিইউতে স্থানান্তর হয়।

মাউস(Mouse)

ইনপুট ডিভাইস হিসেবে মাউস কি-বোর্ডের ব্যবহারকে অনেক সীমিত করেছে। মাউসের মাধ্যমে ব্যবহারকারি তার নিজের ইচ্ছেমত কারসর কি এর তুলনায় দ্রুততা সাথে কার্সরকে যে কোনো দিকে নিতে পারে। মাউসের ব্যবহার কম্পিউটার অপারেশনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। কার্যনীতির উপর ভিত্তি করে মাউসকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

(ক) মেকানিক্যাল মাউস (Mecanical Mouse) : মেকানিক্যাল মাউসের মধ্যে একটি ছোট বল থাকে। মাউস নাড়াচাড়া করলে বলটি নড়াচড়া করে। বলটি দুটি রোলারের মাধ্যমে দুটি সুইচকে অন অফ করে কারসরের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে ।

(খ) অপটিক্যাল মাউস অপটিক্যাল মাউসে অবশ্য ছোট বলটি থাকেনা তার পরিবর্তে থাকে লাইটবীম। বিশেষ ধরনের মাউস প্যাডের সাহায়্যে এই লাইটবীম কারসরের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে।

কি বোর্ডের মত মাউসও সিষ্টেম ইউনিটের পিছনে সংযুক্ত থাকে। তবে ইদানিং কর্ড ছাড়া রিমোট মাউসও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

 

জয়ষ্টিক

ইনপুট ডিভাইস জয়ষ্টিক এর কাজ মাউসের মতই । এটি দিয়ে কারসর খুব দ্রুত নাড়া-চাড়া করা যায়।

এটি গেম খেলার জন্য খুবই উপযোগী। ডিজিটাইজার ডিজিটাইজার হচ্ছে এমন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা দিয়ে ড্রয়িং, ড্রাফটিং, ম্যাপিং, এনিমেশন, গ্রাফিক্স ইত্যাদি কাজগুলো খুব সহজে এবং সাবলীলভাবে সম্পাদন করা যায়। ডিজিটাইজার এর মাধ্যমে গ্রাফিক্স ইনফরমেশনকে সঠিক ডিজিট্যাল ইনফরমেশন এ রূপান্তর করে কম্পিউটার এ দেয়া যায়। ডেস্কটপ পাবলিশিং এর কাজে এটি বিশেষভাবে উপযোগী।

 

স্ক্যানার

স্ক্যানার একটি ইনপুট ডিভাইস। এর সাহায্যে যেকোনো লেখা, ছবি ইত্যাদির হুবহু প্রতিরূপ কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। এবং ইচ্ছেমত তা এডিটও করা যায়। মাইক্রো কম্পিউটারের ক্ষেত্রে একটি মাইক্রোপ্রসেসর সিপিইউ এর কাজ করে। কম্পিউটারের সিপিইউ কে মানুষের মস্তিস্কের সাথে তুলনা করা যায়। এএলইউ, রেজিষ্টার ও কন্ট্রোল ইউনিট এর সমন্বয়ে সিপিইউ গঠিত হয়। ইহার এ এলইউ গাণিতিক কাজ (যোগ, বিয়োগ, গুণ ভাগ) ও যুক্তি সম্পর্কিত কাজ (দুটি ডাটার মধ্যে তুলনা) সম্পন্ন করে। রেজিষ্টার  হলো ক্ষুদাকৃতির ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি। একটি রেজিষ্টারে একটি মাত্র ডাটা ওয়ার্ড স্থাপন করা যায়। এএলইউ রেজিষ্টার সমূহের ডাটার উপরই এ্যারিথমেটিক বা লজিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করে। কন্ট্রোল ইউনিট হলো কম্পিউটারের প্রাণ। কন্ট্রোল ইউনিটই প্রতিটি নির্দেশকে এক এক করে কার্য়ে পরিনত করে। এ ইউনিট মেইন মেমোরি থেকে এক একটি করে নির্দেশ গ্রহন করা, এএলইউ কে বিভিন্ন কাজের আদেশ দেওয়া, ফলাফল আউটপুট ইউনিটে স্থানান্তর করা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজ সমাধা করে। কম্পিউটারের কোন অংশ কখন কি কাজ করবে, কোন অংশের পর কোন অংশ কাজ করবে কন্ট্রোল ইউনিট তা নিয়ন্ত্রন করে। অর্থাৎ এ অংশটি প্রক্রিয়াকরনের সমস্ত কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

 

মাইক্রোপ্রসেসর

মাইক্রোপ্রসেসর হলো ডিজিট্যাল লার্জ-স্কেল বা ভেরি লার্জ-স্কেল ইনিটগ্রেটেড সার্কিট। কম্পিউটারের এএলইউ, রেজিষ্টার ও কন্ট্রোল ইউনিট একটি সিলিকন চিপে স্থাপন করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরী করা হয়। ইহা মাইক্রো কম্পিউটারের সিপিইউ হিসেবে কাজ করে।

১৯৭১ সালে প্রথম রহঃবষ৪০০৪ নামের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরী করেন। মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা দ্বারাই মাইক্রোকম্পিউটারের

ক্ষমতা প্রকাশিত হয়। মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা সাধারণত উহার বিট সাইজ এবং মেগাহার্জ স্পিডের মাধ্রমে প্রকাশ করা হয়।

বর্তমানে গেগাহার্জ স্পিডের প্রসেসর বাজারে পাওয়া যাইতেছে।

আউপটপুট ডিভাইস

যে সমস্ত ডিভাইস বা যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করার পর ফলাফল প্রর্দশন করে সেগুলিকে আউটপুট ডিভাইস বলা হয়। ডাটা এবং কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী আউটপুট ডিভাইসও বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। মনিটর ও প্রিন্টার কম্পিউটারের অতি গুরুত্ত্ব পূর্ণ ইনপুট ডিভাইস।

 

মনিটর

যে ডিভাইসটি ছাড়া কম্পিউটার কল্পনাই করা যায়না সেটি হচ্ছে মনিটর। মনিটর হচ্ছে ডিসপ্লে ইউনিট। কম্পিউটারের যে সমস্ত কমান্ড দেওয়া এবং তার ফলে যে কাজ হয়, তার ফলাফল সরাসরি মনিটরে দেখা যায়। মনিটর ডিজিট্যাল হতে পারে আবার এ্যানালগ হতে পারে। এটি সাদাকলো হতে পারে আবার রঙীন হতে পারে। তবে আজকাল এ্যানালগ বা সাদাকালো মনিটর খুব একটা দেখা যায়না। প্রযুক্তি গত দিক থেকে মনিটর এলসিডি ও ক্যাথোড-রে টাইপ এ দুধরনের হতে পারে। আকৃতিতে দেওয়াল ঘড়ির মত এবং ওজনে হালকা হওয়া সত্বেও আধুনিক প্রযুক্তির এলসিডি (খ.ঈ.উ.- খরয়ঁরফ ঈৎুংঃধষ উরংঢ়ষধু) মনিটর অধিক দামের কারণে জনপ্রিয় হতে পারেনি। ১৪ ইঞ্চি, ১৫ ইঞ্চি ১৭ ইঞ্চি ও ২১ ইঞ্চি মনিটর বাজারে পাওয়া যায়। ভিউসনিক, এনইসি, ফিলিপস্, এলজি, গোল্ডষ্টার, হুন্দাই, স্যামসং, হ্রানসন ইত্যাদি খ্যাতনামা মনিটর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।

প্রিন্টার কম্পিউটারের ফলাফল কাগজে ছাপা আকারে নেওয়ার জন্য জনপ্রিয় আউটপুট ডিভাইস হলো প্রিন্টার। প্রিন্টার এর মাধ্যমে কাগজে যে আউটপুট পাওয়া যায় তাকে হার্ড কপি বলা হয়।

প্রিন্টারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

(ক) ক্যারেক্টার প্রিন্টার: একসাথে একটি ক্যারেক্টার প্রিন্ট করে। অল্প আউটপুট এর ক্ষেত্রে পিসিতে ব্যবহৃত এ ধরনের প্রিন্টার প্রতি সেকেন্ডে ৩০ থেকে ৬০০ ক্যারেক্টার প্রিন্ট করতে পারে। যেমন – ডট-মেট্রিক্স প্রিন্টা, ডেইজি হুইল প্রিন্টার।

(খ) লাইন প্রিন্টার : একসাথে এক লাইন টেক্সট প্রিন্ট করে। অধিক পরিমানের আউটপুট এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এ ধরনের প্রিন্টার প্রতি মিনিটে ৩০০ থেকে ৩০০০ লাইন প্রিন্ট করতে পারে। মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারে এ ধরনের প্রিন্টার ব্যবহার করা যায়। যেমনঃ চেইন প্রিন্টার, ড্রাম লাইন প্রিন্টার।

(গ) পেজ প্রিন্টার : একসাথে এক পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে। এ ধরনের প্রিন্টার প্রতিমিনিটে ১০ থেকে ৩০০ পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে। যেমন- লেজার প্রিন্টার।

 

টেকনোলজির উপর ভিত্ত করে প্রিন্টার আবার দুই প্রকারঃ

(ক) ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার  এ ধরনের প্রিন্টারে একটি ইলেকট্রোমেকানিক্যাল প্রিন্টিং হেড থাকে। যাহার হাতুরি বা পিন রিবন ও পেপারের উপর আঘাত করে টেক্সট প্রিন্ট করে। যেমনঃ ডট-মেট্রিক্স প্রিন্টার, ডেইজি হুইল প্রিন্টার, চেইন প্রিন্টার , ড্রাম প্রিন্টার, বল প্রিন্টার।

(খ) নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার  এ প্রিন্টারে কোন প্রিন্টিং হেড থাকেনা। এধরনের প্রিন্টার টেক্সট প্রিন্ট করার জন্য তাপীয়, রাসায়নিক, ইলেকট্রোষ্ট্যাটিক, লেজার বিম বা ইঙ্কজেট টেকলোজি ব্যবহার করে। ইঙ্ক জেট প্রিন্টার,

প্রচলিত প্রিন্টার সমূহঃ ডট্ মেট্রিক্স প্রিন্টার (উড়ঃ গধঃৎরী চৎরহঃবৎ)ঃ ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার হিসেবে ডট্ মেট্রিক্স প্রিন্টার সবচেয়ে সস্তা।

কিন্তু বেশ জনপ্রিয়। প্রিন্ট করার জন্য এ প্রিন্টারে একটি প্রিন্ট হেড থাকে, প্রিন্ট হেডে সাধারণত ৭, ৯, ১৮ অথবা ২৪ টি ছোট ছোট পিনের গ্রিড ব্যবহার করা হয়। ঐ পিনগুলি হতে কতগুলি পিনের মাথা রিবনের উপর আঘাত করে কাগজের উপর নির্দিষ্ট সংখ্যক

বিন্দু বসিয়ে ক্যারেক্টার তৈরী করে। এ প্রিন্টারে ছাপানো ছবি বা ক্যারেক্টার স্মুথ (ংসড়ড়ঃয) বা সাবলীল হয়না। এ প্রিন্টার প্রতি সেকেন্ড ৩০ থেকে ৩০০ ক্যারেক্টার প্রিন্ট করতে পারে।

বল প্রিন্টার (ইধষষ চৎরহঃবৎ)ঃ বল প্রিন্টার আর এক ধরনের ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার এতে একটি ঘূর্ণায়মান বল থাকে।

যার গায়ে প্রতিটি ক্যারেক্টার থাকে এবং এখান থেকে রিবনে আঘাত করে টাইপরাইটারের মত ছাপা হয়।

অপর এক ধরনের প্রিন্টার, ডেইজী হুইল প্রিন্টারও একই ধাচের। এদের উভয়ের প্রিন্টিং এর মান বেশ উন্নত কারণ এতে টাইপরাইটারের মত প্রতিটি ক্যারেক্টারের আলাদা ছাচ থাকে । আর এদেরকে টাইপরাইটার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

ইঙ্কজেট  ইঙ্ক, বাবল ও ডেস্কজেট প্রিন্টার প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় একই রকম। এগুলো দিয়ে সাদ-কালো ও রঙ্গীন দ’ধরনের প্রিন্ট হয়ে থাকে। ডট মেট্রিক্স প্রিন্টারের চেয়ে এ প্রিন্টার গুলির ছাপার মান ভালো, দামও বেশী নয়।

ইঙ্কজেট প্রিন্টারে কালির কার্টিজের ভিতরে একটি তরল কালির উৎস থাকে। কালির এ উৎস থেকে ৩০০-৬০০টি নজল প্রিন্ট হেডের উপর বসানো থাকে। নজল গুলির ব্যাস আমাদের চুলের ব্যাসের চেয়েও কম। যে কাগজে প্রিন্ট হবে তার উপর দিয়ে প্রিন্ট হেডের আসা যাওয়ার সময় নজল গুলোর মাধ্যমে কালির ফোঁটা এসে কাগজের উপর পড়ে। এই ফোটা কোথায় পড়বে তা কম্পিউটার নির্দিষ্ট করে দেয়।

লেজার প্রিন্টার

উন্নত মানের প্রিন্টিংয়ের জন্য লেজার প্রিন্টারের বিকল্প নেই। বেশী পরিমাণ, ছাপার উন্নত মান, স্পষ্ট আউপুট এসবের জন্য

লেজার প্রিন্টার সর্বাধিক পরিচিত। অন্যান্য প্রিন্টার থেকে এ প্রিন্টারটির প্রযুক্তিগত পার্থক্য রয়েছে। ফটোকপি মেসিনে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় লেজার

প্রিন্টারেও সেই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এতে কোনো রিবন বা তরল কালি ব্যবহৃত হয়না। তার পরিবর্তে টোনার নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থায়

পাউডার কালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে একটি ফটোইলেকট্রিক বেল্ট বা ড্রামে লেজার বিম ফোকাস করা হয়, যার ফলশ্র“তিতে ইলেকট্রিক্যাল চার্জ উৎপন্ন হয়। ড্রামটি ঘুরতে ঘুরতে ডেভেলপার ইউনিটে প্রবেশ করে।

ডেভলপার ইউনিট টোনারকে কিছু চার্জ দেয় ফলে ড্রামের অনাহিত অংশ আকর্ষণ করে। কাগজে দেওয়া হয় তার চেয়েও বেশী চার্জ।

ফলে ড্রামের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় টোনার কাগজে স্থানান্তরিত হয়ে যায়।

সবশেষে কাগজে লেগে থাকা টোনারকে বসাতে কাগজকে দুটি উত্তপ্ত ঘুর্ণায়মান সিলিন্ডারের মধ্য দিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয় ফলে ইমেজ কাগজের উপর বসে পড়ে।
মেমোরি ইউনিট(গবসড়ৎু টহরঃ)ঃ কম্পিউটারের সকল অপারেশন উহার ঈচট দ্বারা সম্পন্ন হয়। ক্ষুদ্রতম আকৃতির ডাটা অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ঈচট তে রেজিষ্টার থাকলেও মৌলিক ইন্সট্রাকশন, সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম এবং ডাটা সংরক্ষণের কোন সামর্থ্য ঈচট এর নেই।

রেজিষ্টারে মাত্র কয়েক বাইট ডাটা সংরক্ষণ করা যায়। রেজিষ্টার ছাড়াও হাজার হাজার বাইট প্রোগ্রাম এবং ডাটা সংরক্ষনের জন্য

কম্পিউটারে একটি অংশের প্রয়োজন হয়, এ অংশকেই মেমোরি বলা হয়।

অর্থাৎ কম্পিউটার উহার যে অংশে প্রোগ্রাম, ডাটা এবং ফলাফল সংরক্ষণ করে তাকে মেমেরি বলা হয়।

 

ম্পিউটার সিষ্টেমের মেমোরিকে প্রধাণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ

১। প্রাইমারি মেমোরিএবং

২। সেকেন্ডারী মেমোরি

 

প্রাইমারি মেমোরি  কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমেরি সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে তৈরী দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি। কম্পিউটার অপারেশনের সময় প্রোগ্রাম এবং ডাটা সংরক্ষণের জন্য প্রাইমারি মেমোরি ব্যবহৃত হয়।

প্রাইমারি মেমোরি ভোলাটাইল এবং নন ভোলাটাইল  এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। বিদ্যূৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলে যে সেমিকন্ডাক্টর মেমোরির সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়। আর বিদ্যূৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলেও যে সকল সেমিকন্ডাক্টর মেমোরির সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়না তাদেরকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলাহয়। প্রাইমারি মেমোরি বাজারে আইসি আকারে পাওয়া যায় এবং কমিউটারের মাদারবোর্ড নামে পরিচিত প্রাধাণ সাকির্ট বোর্ডে বসানো হয় প্রাইমারি মেমোরিকে আমরা পর পর সজ্জিত কতগুলি কুঠুরিরসাথে তুলনা করতে পারি। প্রতিটি কুঠুরিতে ডাটা লিখে (রাইট) সংরক্ষণকরা যায় আবার কুঠুরি হতে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলন (রিড) করা যায়। কুঠুরীগুলোকে লোকেশন বলা হয়। কোন লোকেশনে ডাটা সংরক্ষণ করতে হবে বা কোন লোকেশন হতে ডাটা রিড করতে হবে তা লোকেশন গুলোর ক্রমিক নম্বর দিয়ে নির্দেশ করা হয়। লোকেশন গুলির এই ক্রমিক নম্বর গুলোকে মেমোরি এ্যাড্রেস বলা হয়।

 

প্রাইমারি মেমোরি প্রধাণত দুই প্রকার:

১। র‌্যামএবং

২। রম

১। র‌্যাম 

র‌্যাম সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে তৈরী রিড/রাইট মেমোরি, অর্থাৎ এ মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা যেমন রিড করা যায় আবার প্রয়োজনে এ মেমোরিতে ডাটা রাইট করে সংরক্ষণ করা যায়। এ মেমোরির ডাটা মুছে ফেলা যায় আবার নতুন ডাটা সংরক্ষণ করা যায়। যেকোন সময় র‌্যামের যেকোন লোকেশনের ডাটা রিড বা যেকোন লোকেশনে ডাটা রাইট করা যায় বলে একে র‌্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি সংক্ষেপে র‌্যাম বলা হয়। এ ছাড়া র‌্যামের বিদ্যূৎ সরবরাহ ব›দ্ধ হয়ে গেলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায় বলে র‌্যামকে ভোলাটাইল মেমোরিও বলা হয়। যতক্ষণ বিদ্যূৎ সরবরাহ থাকে ততক্ষণ র‌্যাম ডাটা সংরক্ষণ করে রাখতে পারে। র‌্যাম সাারণত ছোট সার্কিট বোর্ডে চীপ আকারে পাওয়া যায় এদেরকে মেমোরি মড্যূল বলা হয়। ১গই, ২গই, ৪গই, ৮গই, ৮গই, ১৬গই, ৩২গই, ৬৪গই, ১২৮গই ও ২৫৬গই ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন র‌্যাম মড্যূল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমানে ৬৪গই, ১২৮গই ও ২৫৬গই মেমোরি মড্যূলক্ষাজারে পাওয়া যায এবং কম্পিউটারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

 

২। রম

রম এক ধরণের স্থায়ী সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি। এ মেমোরিও আইসি আকারে তৈরী করা হয়। তৈরীর সময় ডাটা বা প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করা হয়। কম্পিউটার সিষ্টেম চালু হওয়ার জন্য অত্যাবশ্যকীয় এবং বার বার প্রয়োজন হয় এমন ধরণের প্রোগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়। এ প্রোগ্রামকে বায়োস বলা হয়। কম্পিউটার সিষ্টেমে মাইক্রোপ্রসেসর প্রথমে রমের প্রোগ্রাম সমূহ এক্সিকিউট করে। অতঃপর রমের প্রোগ্রাম অন্যান্য প্রোগ্রাম এক্সিকিউশনের পরিবেশ তৈরী করে। রমে একবার ডাটা সংরক্ষণ করা হলে তা আর পরিবর্তন করা যায়না বলে একে স্থায়ী মেমোরি বলা হয়। আবার বিদ্যূৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও এ মেমোরির ডাটা মুছে যায়না বলে একে নন-ভোলাটাইল মেমোরিও বলা হয়। রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায় কিন্তু রমে ব্যবহারকারী কোনো তথ্য লিখতে পারেনা বলেই এ মেমোরিকে জবধফ ঙহষু গবসড়ৎু সংক্ষেপে জঙগ বলা হয়। রম তৈরীর সময় প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান এতে প্রোগ্রাম ভরিয়ে দেয় বলে রমে সংরক্ষিত প্রোগ্রামকে ফার্মওয়্যার বলা হয়। রম আবার কয়েক ধরনের হতে পারে যেমনঃ প্রোম (চজঙগ – চৎড়মৎধসসধনষব জবধফ ঙহষু গবসড়ৎু), ইপ্রোম (ঊচজঙগ – ঊৎধংধনষব চৎড়মৎধসসধনষব জবধফ ড়হষু গবসড়ৎু), ই-স্কয়ার প্রোম (ঊ২চজঙগ- ঊঊচজঙগ- ঊষবপঃৎরপধষষু ঊৎধংধনষব চৎড়মৎধসসধনষব জঙগ) ঊঅচজঙগ-ঊষবপঃৎরপধষষু অষঃবৎধনষব চৎড়মৎধসধনষব জড়স.

 

ক্যাশ মেমোরি  মাইক্রোপ্রসেসর তুলনায় র‌্যামের গতি খুবই কম। এজন্য র‌্যাম থেকে ডাটা রিড বা র‌্যামে ডাটা রাইট করতে মাইক্রোপ্রসেসরের অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। ফলে কম্পিউটারের গতি কমিয়া যায়। কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে মাইক্রোপ্রসেসর এবং র‌্যামের মধ্যে এক ধরণের দ্রুত গতি সম্পন্ন মেমোরি ব্যবহার করা হয়। এই মেমোরিকেই ক্যাশ মেমোরি বলা হয়। যখন প্রোগ্রাম এক্সিকিউট হয় তখন সিপিইউকে র‌্যাম হতে ডাটা ও ইন্সট্রাকশন রিড করতে হয়। সিপিইউ ডাটা ও ইন্সট্রাকশন প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খুজে দেখে, না পেলে র‌্যাম থেকে রিড করে এবং একটি কপি ক্যাশে সংরক্ষণ করে, ফলে পরবর্তীতে ঐ ডাটার প্রয়োজন হলে প্রসেসর ক্যাশ থেকে সংগ্রহ করে র‌্যাম এর রিড অপারেশনের সময় বাচায়। প্রকুত পক্ষে যে সকল ডাটা প্রোগ্রাম এক্সিকিউশনের জন্য প্রায়ই প্রয়োজন হয় প্রসেসর সেই ডাটা গুলিকে ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষণ করে।

১৯৮০ সালের শেষ দিকে প্রায় সকল পিসির প্রসেসরে অভ্যন্তরীন ভাবে ক্যাশ মেমোরি থাকতো। এ ক্যাশের মান ০.৫কই, ৮কই, ১৬ কই, ৩২কই ধারণ ক্ষমতার ছিল। প্রসেসরের অভ্যন্তরে ছাড়াও বর্তমানে মাদার বোর্ডে ক্যাশ মেমোরি থাকে এবং এর পরিমান বৃদ্ধিও করা যায়। এ ক্যাশের ধারণ ক্ষমতা ৫১০কন থেকে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।
সেকেন্ডারি মেমোরি  সেকেন্ডারি মেমোরি প্রধাণ মেমোরি অপেক্ষা অধিক ধারণ ক্ষমতা ও ধীর গতি সম্পন্ন মেমোরি। এ ধরণের মেমোরি সিষ্টেম-প্রোগ্রাম, এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম ও বৃহৎ আকৃতির ডাটা ফাইল সংরক্ষনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ঈচট প্রক্রিয়া করণের জন্য তথ্যকে সেকেন্ডারি মেমোরি হতে র‌্যামে স্থানান্তর করে। এছাড়া প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডাটা সেকেন্ডারি মেমোরি হতে ঈচট র‌্যামে স্থাপন করে। সেকেন্ডারী মেমোরি শুধু তথ্য ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে রাখে। প্রোগ্রাম কাজ করতে হলে র‌্যামে স্থানান্তর করতে হয়। ম্যাগনেটিক ও অপটিক্যাল ডিস্ক সেকেন্ডারি মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সেকেন্ডারি মেমোরি ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মতই কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয়। ফ্লপি-ডিস্ক, হার্ড-ডিস্ক, সিডি-রম, ডিভিডি, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি মেমোরি।

 

ষ্টোরেজ ক্যাপাসিটি (ঝঃড়ৎধমব ঈধঢ়ধপরঃু)ঃ আমরা যে ভাষায় কথা বলি বা বুঝি কম্পিউটার কিন্তু সে ভাষা বুঝেনা। প্রকৃতপক্ষে কম্পিউটার কোন ভাষাই বুঝেনা। ইহা শুধু মাত্র ইহার বিভিন্ন সার্কিটে কারেন্টের উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতি বুঝে। কারেন্টের উপস্থিতিকে ‘১’ এবং অনুপস্থিতিকে ‘০’ ধরিয়া সকল কার্য্য সম্পন্ন করে। ‘০’ ও ‘১’ ব্যবহার করে কম্পিউটার যে গাণিতিক পদ্ধতির সাহায্যে সকল কার্য্য সম্পন্ন করে তাহকে বাইনারী সিষ্টেম এবং ‘০’ ও ‘১’ কে বাইনারি ডিজিট সংক্ষেপে বিট (ইরহধৎু উরমরঃ – ইওঞ) বলে।

যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি পদ্ধতিতে ‘০’ ও ‘১’ দ্বারা প্রকাশ করা যায় যেমন ১১০ = ০০০০০০০১২, ২১০ = ০০০০০০১০২, ৩১০ = ০০০০০০১১২, ১৫১০ = ০০০০১১১১২, ২৫৫১০ = ১১১১১১১২ এছাড়া সকল অক্ষর এবং বিশেষ চিহ্ন সমূহকে ৮ বিট অঝঈওও (অসবৎরপধহ ঝঃধহফধৎফ ঈড়ফব ভড়ৎ ওহভড়ৎসধঃরড়হ ওহঃবৎপযধহমব) কোড দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যেমনঃ অ = ০১০০০০০১, ই = ০১১০০০০১০, ঈ = ০১১০০০০১১ ইত্যাদি। কম্পিউটার যখন মেমোরি বা ষ্টোরেজ মিডিয়ায় ডাটা সংরক্ষণ করে তখন এভাবে সংখ্যা এবং ক্যারেক্টার সমূহকে বাইনারীতে রূপান্তর করে ইলেকট্রিক, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল সিগন্যাল আকারে সংরক্ষণ করে। তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এরূপ পাশাপাশি আটটি বিটকে একত্রে এক বাইট বলা হয়। এরূপঃ

২১০ (= ১০২৪) নুঃব = ১ করষড় ইুঃব = ১কই ২১০ (= ১০২৪) কই = ১ গবমধ ইুঃব = ১গই ২১০ (= ১০২৪) গই = ১ এরমধ ইুঃব = ১এই

 

ষ্টোরেজ ডিভাইস (ঝঃড়ৎধমব উবারপব)ঃ

সাধারণত মেমোরি বলতে কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ র‌্যামকেই বুঝিয়ে থাকে। মেমোরি, ইনপুট, আউটপুট এবং ঈচট থাকলেই কম্পিউটার কাজ করতে পারে। তবে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম ফাইল এবং উহার সাথে সংশ্লিষ্ট ডাটা যখন ব্যবহৃত না হয় তখন একটি জায়গায় ঐ প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণ করে রাখার প্রয়োজন হয়। যে সকল মাধ্যমে ঈচট প্রোগ্রাম ও ডাটা দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারে এবং প্রয়োজনে মেমোরিতে উত্তোলন করে কাজ করতে পারে তাদেরকে ষ্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।

ষ্টোরেজ ডিভাইস ও মেমোরির মধ্যে প্রধাণ তিনটি পার্থক্য হলোঃ

ক) মেমোরি অপেক্ষা ষ্টোরেজ ডিভাইসের ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশী।

খ) কম্পিউটার বন্ধ করা হলে মেমোরির ডাটা মুছিয়া যায় কিন্তু ষ্টোরেজ ডিভাইসের ডাটা সংরক্ষিত থাকে।

গ) মেমোরি অপেক্ষা ষ্টোরেজ ডিভাইস দামে সস্তা।

 

বর্তমানে ম্যাগনেটিক ও অপটিক্যাল এ দুই উপায়ে ষ্টোরেজ ডিভাইসে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়। কোন কোন সিষ্টেম ম্যাগনেটিক কোনটি অপটিক্যাল কোনটি আবার উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে ডাটা সংরক্ষণ করে।

প্রধাণ প্রধাণ ম্যাগনেটিক ষ্টোরেজ ডিভাইস গুলি হলোঃ খ) ফ্লপি ডিস্ক বা ডিস্কেট  গ) হার্ড ডিস্ক ঘ) ম্যাগনেটিক টেপ  প্রধাণ প্রধাণ অপটিক্যাল ষ্টোরেজ ডিভাইস গুলি হলোঃ ক) সিডি রম (ঈউ জঙগ – ঈড়সঢ়ধপঃ উরংশ জবধফ ঙহষু গবসড়ৎু) খ) ডিভিডি (উঠউ – উরমরঃধষ ঠধৎংবঃরষব উরংশ) গ) ওয়ার্ম  ড্রাইভ ঘ) ফেজ-চেঞ্জ রিরাইট্যাবল ডিস্ক ঙ) ম্যাগনেটো অপটিক্যাল ডিস্ক চ) ফ্লপটিক্যাল ড্রাইভস্ ফ্লপি ডিস্ক

কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম হলো ফ্লপি ডিস্কেট। ফ্লপি-ডিস্ক হচ্ছে এক ধরনের বহনযোগ্য ষ্টোরেজ ডিভাইস। ফ্লপি-ডিস্ক মাইলার প্লাষ্টিকের তৈরী গোলাকার চাকতি বিশেষ এই চাকতির উপর চৌম্বক পদার্থের (আয়রন-অক্সাইড) প্রলেপ দেওয়া থাকে। চকতিটি একটি প্লাষ্টিক বা কার্ডবোর্ডের জ্যাকেটে রক্ষিত থাকে ডিস্কটি যাতে জ্যাকেটের মধ্যে সহজেই ঘুড়াতে পারে সেজন্য ইহার অভ্যন্তর ভাগে পিচ্ছিল তরল পদার্থের প্রলেপ দেওয়া হয়। জ্যাকেটটি ডিস্ককে বাহিরের আঘাত এবং ধুলো-বালি হতে রক্ষা করে। গোলাকার ডিস্কটি অত্যন্ত পাতলা এবং বাকানো যায় বলে একে ঋষবী উরংশ বলা হয়। ডিষ্ক-ড্রাইভ এর মটরের সাহায্যে ডিস্ক উহার জ্যাকেটের মধ্যে ৩০০-৩৬০ ৎঢ়স এ ঘুরে।

প্রথমে ডিস্ক গুলিতে শুধুমাত্র এক পার্শ্বে ডাটা রাখা যেত হতো।  বর্তমানে ডিস্কের উভয় দিকে রাখা যায় এদেরকে উড়ঁনষব ঝরফবফ ঋষড়ঢ়ঢ়ু উরংশ বলা হয়। ১ এবং ২  দ্বারা যথাক্রমে ঝরহমষব ঝরফবফ এবং উড়ঁনষব ঝরফবফ বুঝানো হয়।  রেকর্ডিং এর উপর ভিত্তি করে ডিস্ককে ঝরহমষব  (ঝউ) ,(ঐউ) এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়। ঝউ ডিস্কের তুলনায় উউ ডিস্কেটে দ্বিগুণ এবং উউ ডিস্কেটের তুলনায় ঐউ ডিস্কেটে দ্বিগুনণ তথ্য রাখা যায়। বর্তমানে বাজারে শুধুমাত্র উড়ঁনষব ঝরফবফ ,(২ঐউ) ডিস্কেট পাওয়া যায়।

 

আকৃতি অনুসারে ফ্লপি ডিস্ক তিন প্রকারের হয়ে থাকেঃ

১। ৮ ইঞ্চি ফপি ডিস্কেট(১৯৭৩)ঃ ৮” ফ্লপি ডিস্ক বাজারে নেই, এটা মূলত মেইন ফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হতো

২। ৫.২৫(১৯৭৬-ঝযঁমধৎঃ অংংড়পরধঃবং) ইঞ্চি ফ্লপি ডিস্কেটঃ একে মিনি ফ্লপি ডিস্কও বলা হয়। অকৃতিতে বড় এবং ধারণ ক্ষমতার দিক থেকে কম তথ্য ধারণক্ষম হওয়ায় এর ব্যবহার আর নাই ।

৩। ৩.৫”৩.৫”(১৯৮০-ঝড়হু ঈড়ৎঢ়ড়ৎধঃরড়হ) ফ্লপি ডিস্ক ঃ ইহাকে মাইক্রো ফ্লপি ডিস্কেট বলা হয়। বর্তমানে এ ডিস্কেট তথ্য স্থানান্তর এর ক্ষেত্রে ব্যাপক ভাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে । এ ডিস্কের আবরণ তুলনামূলক শক্ত প্লাষ্টিকের তৈরী হওয়ায় দির্ঘ স্থায়ী হয়। নিুে একটি মাইক্রো ফ্লপি ডিস্কেটের চিত্র (ঋরম-১) সহ বিভিন্ন অংশের বর্ণনা দেওয়া হলো।

ক্স শাটার (ঝযঁঃঃবৎ) ঃ ইহা ডিস্কের হেড এ্যাকসেস স্লট কে ঢেকে রেখে ডিস্ককে রক্ষা করে। ডিস্ককেট ড্রাইভে ঢকানো হলে এ শাটার সরে যায় এবং হেড ডিস্কের সংস্পর্শে আসে। ক্স ড্রাইভ হাব (উৎরাব যঁন) ঃ এর সাহায্যে ড্রাইভের মটরের স্পিন্ডল ডিস্ককে ঘুরায় এবং এর আয়তাকার ছিদ্র দ্বারা ডিস্কের সেক্টরের অবস্থান নির্ণয় করে। ক্স রাইট প্রটেক্ট ট্যাব (ডৎরঃব ঢ়ৎড়ঃবপঃ ঞধন) ঃ এ অংশে একটি আয়তাকার ছিদ্র ও একটি প্লাষ্টিক স্লাইড থাকে । স্লাইড দ্বারা ছিদ্রটি ঢাকা থাকলে ডিস্কে ডাটা লিখা যায়। ক্স ডেসসিটি সেনসিং হোল (উবহংরঃু ংবহংরহম যড়ষব)ঃ শুধু ৩.৫ ইঞ্চি ২ঐউ ডিস্কেটে এ ছিদ্র থাকে । ডিস্ক ড্রাইভে এ ছিদ্রের মাধ্যমে বুঝতে পারে ডিস্কটি ঐউ না উউ । এর ফলে একই ড্রাইভে উভয় প্রকার ডিস্ক ব্যবহার করা যায়।

বিভিন্ন আকৃতির বিভিন্ন ডেনসিটি বিশিষ্ট ডিস্কেটের ধারণ ক্ষমতা বিভিন্ন হয়ে থাকে। নিুে এদের তালিকা দেওয়া হলোঃ ঝখ.ঘড় ঝরুব ঞবপযহরপধষ ঘধসব ঝঃড়ৎধমব ঈধঢ়ধপরঃু ঞৎধপশ/ ঝরফব ঝবপঃড়ৎ / ঞৎধপশ ১ ৫.২৫ রহপয উড়ঁনষব ঝরফবফ উড়ঁনষব উবহংরঃু (উঝউউ ড়ৎ ২উউ ৩৬০ কই ৪০ ৯ ২ ৫.২৫ রহপয উড়ঁনষব ঝরফবফ ঐরময উবহংরঃু (উঝঐউ ড়ৎ ২ঐউ) ১.২২ গই ৮০ ১৫ ৩ ৩.৫ রহপয উড়ঁনষব ঝরফবফ উড়ঁনষব উবহংরঃু (উঝউউ ড়ৎ ২উউ ৭২০ কই ৮০ ৯ ৪ ৩.৫ রহপয উড়ঁনষব ঝরফবফ ঐরময উবহংরঃু (উঝঐউ ড়ৎ ২ঐউ ১.৪৪ গই ১.৮ গই ৮০ ১৮ বিঃদ্রঃ- একই আকৃতির বেশী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ড্রাইভে কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্ক কাজ করলেও, কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ড্রাইভে বেশী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্ক কাজ করতে পারেনা।

ফ্লপি ব্যবহারের সর্তকতাঃ ক্স ডিস্কটিকে কখনই বাকানো বা ভাঁজ করা যাবেনা। ক্স ডিস্কেও খোলা অংশ কোনো অবস্থাতেই স্পর্শ করা উচিৎ নয়। ক্স চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয় এমন জিনিষ যেমন মনিটর, টিভি বা ট্রান্সফরমার ইত্যাদি থেকে দূওে রাখতে হবে। ক্স ডিস্ক যেন খুব বেশী গরম (৪৫ সেঃ এর উপর) বা ঠান্ডায় সংরক্ষণ করা যাবেনা। ক্স ধুলোবালি, রোদ, তরল পদার্থ এবং স্যাঁতস্যঁতে জায়গা থেকে দূরে রাখতে হবে। ক্স বল পয়েন্ট কলম বা তিক্ষè পেন্সিল দিয়ে ডিস্কের লেবেল লেখা উচিৎ নয়। ক্স কেনো অবস্থাতেই যেন ডিসেকÍ উপর চাপ না পরে। ক্স ডিস্কের সংরক্ষিত তথ্য যাতে অসাবধানতার কারনে মুছে না যায় সেজন্য রাইট প্রটেক্ট করে রাখা উত্তম। ক্স ডিস্ক ড্রাইভের মধ্যে ডিস্ক ঢুকানোর সময় তা সর্তকতার সাথে ঢুকাতে হবে।

 

হার্ড-ডিস্ক ড্রাইভঃ

বৃহৎ আকৃতির ডাটার ক্ষেত্রে বিশ্ব এখন অপটিক্যাল মাধ্যমের দিকে ধাবিত হলেও পারসোপনাল কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের জন্য সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয় হার্ড ডিস্ক। এটি একটি দির্ঘস্থায়ী ষ্টোরেজ মিডিয়া হিসেবে কাজ করে। মেগাবাইট থেকে গিগাবাইট পর্যন্ত তথ্যের বিশাল ভান্ডার একটিমাত্র হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা সম্ভব। এই ডিস্ক ম্যাগনেটিক ধাতুর তৈরী এক কেন্দ্রীক কতগুলি গোলাকার চাকতি নিয়ে গঠিত। যার তুলনা দেয়া চলে গ্রামোফোনের রেকর্ডের সাথে। এ চাকতিগুলিকে প্লটার বলা হয়। প্রতিটি প্লটারের উপরে এবং নীচে একটি করে হেড থাকে। হেড গুলি একটি আর্ম এর সাহায়্যে নিয়ন্ত্রিত। এই ডিস্কের ম্যাগনেটাইজড পয়েন্ট দিয়ে ১ আর নন-ম্যাগনেটাইজড পয়েন্ট দিয়ে ০ বোঝানো হয়। এভাবে বাইনারী পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষিত হয়। এই ডিস্কে সমকেন্দ্রিক অনেকগুলো ট্র্যাক থাকে। প্রতিটি ট্যাকে আবার ১০০ থেকে ১০০০ বা তদুর্ধ্ব ভাগে ভাগ করা হয় । প্রতিটি ভাগকে বলা হয় সেক্টর। ডিস্কটি প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে থাকে এতে তথ্য যে ট্র্যাকের যে সেক্টরেই থাকুক না কেন, মুহুর্তেই তা সনাক্ত হতে পারে। একটি ডিস্কের ঘূর্ণন গতি সাধারনত ৩৬০০ থেকে ৭২০০ আরপিএম (জচগ – জড়ঃধঃরড়হ ঢ়বৎ সরহঁঃব)।

কোয়ান্টাম, ফুজিৎসু, হিটাচী, মাইক্রোপলিস, এনইসি, মিতসুবিসি, সীগেট, সনি, তোসিবা প্রভৃতি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন মডেলের বিভিন্ন ধারণক্ষমতা স¤পন্ন হার্ডডিস্ক বাজারে পাওয়া যায়। যদিও শুধু হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়না, ড্রাইভ সমেত পাওয়া যায়। ড্রাইভ সমেত হার্ডডিস্ককেই হার্ডডিস্ক নামে ডাকা হয় যদিও তা ঠিক নয়।

সিডি-রম (ঈউ জঙগ ) কম্পিউটার বিজ্ঞানে ঈড়সঢ়ধপঃ উরংশ জবধফ ঙহষু গবসড়ৎু এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ঈউ জঙগ । ১৯৮৭ সালে সনি কোম্পানি সিডি রম ড্রাইভ বাজারে ছাড়ে যা কিনা কম্পিউটার এর তথ্য সংরক্ষনে এক স্বর্ণ দূয়ার খুলে দিয়েছে। ইহা বর্তমানে সফ্টওয়্যার শিল্পের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে। সিডি রম একটি প্লাষ্টিকের শক্ত চাকতি যাতে শক্তিশালী লেজার আলোর সাহায্যে তথ্য লেখা হয়। হার্ড ডিস্ক বা ফ্লপি ডিস্কের মত এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছে আবার নতুন তথ্য লেখা যায় না। একবার একটি সিডি রমে তথ্য লেখা হলে একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের সাহায্যে তা শুধু পড়া যায়, আর এতে সংরক্ষিত তথ্য পরিবর্তন করা যায়না ।

সচারাচর একটি সিডি রম ১.২ মি.মি. পূরুত্ব এবং ১২০ মি.মি. ব্যাসের হয়ে থাকে আর ৬৮০ মেগাবাইট আকৃতির তথ্য জমা বা সংরক্ষন করতে পারে। সিডি-রমের নিচে এলুমিনিয়ামের একটি পাতলা লেয়ার থাকে যাতে আলো প্রতিফলিত হয়। এতে অনেকগুলো পেচানো ট্রাক থাকে যা ডিস্কের কেন্দ্র থেকে শুরু হয়ে চক্রাকারে ঘূরে পরিধির আগ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। শক্তিশালী লেজার আলোর সাহায্যে সিডির প্রতিফলিত তলে অতিক্ষুদ্র অনুবিক্ষনিক সিডি পদ্ধতিতে তথ্য লেখা হয়। একেকটি ছিদ্র অর্থাৎ পিট (চরঃ) ‘১’ এবং ছিদ্রবিহীন স্থান অর্থাৎ ল্যন্ড (খধহফ) কে ‘০’ দ্বরা প্রকাশ করা হয়। প্রতিটি ছিদ্র প্রায় ০.০১২ মাইক্রোন গভীর এবং ০.৬২ মাইক্রোন প্রসস্ত হয়। যা প্রতিটি পেচানো ট্রাকে খোদাই করা থাকে। দুটি পেচানো ট্রাকের মাঝে প্রায় ১.৬ মাইক্রোন স্পেশ থাকে। প্রতি ইঞ্চিতে সধিারনত ১৬০০০ ট্রাক থাকে। ডিস্কের পরিধি থেকে ৫মি.মি. ভিতরের দিকে ট্রাকের সমাপ্তি ঘটে। এই প্যাচানো ট্রাক প্রায় ৩ মাইল লম্বা হয়।

সিডি-রমের তথ্য সাধারনত লেজার রশ্মির সাহায্যে পড়া হয়। ডিস্কটি যখন ২০০-৫০০ ৎঢ়স এ ঘুরতে থাকে তখন লেজার আলো এর গর্তে (ঢ়রঃ) নিক্ষিপ্ত হয় আবার ল্যান্ডে (খধহফ) বাধা পায় । এভাবে এর স্পন্দন পরিবর্তিত হতে থাকে। আলো প্রতিটি গর্ত ও ল্যান্ড হতে ১৮০ ডিগ্রী দশায় প্রতিফলিত হয়। আলোর এই তিব্রতার পরিবর্তন চযড়ঃড়বষবপঃৎরপ পবষষ দ্বার মাপা হয় এবং বৈদ্যূতিক পালসে রূপান্তর করে। পিট ও ল্যান্ড সমূহ যা সারিবদ্ধ ভাবে ডিস্ক তলে সাজানো থেকে ১ এবং ০ এর প্রতিনিধিত্ব করে। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এবং সফ্টওয়্যার এর সাহায্যে এসকল তথ্য পড়া হয়।

সিডি রমের সাধারণ এক্সেস টাইম হচ্ছে ১৪০ মিলি সেকেন্ড আর নূন্যতম গতিসম্পন্ন একটি টাইপিক্যাল সিডি-রম ড্রাইভের ডাটা ট্রান্সফার রেট হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ১৫০ কিলোবাইট। এই ১৫০ কেবিপিএস গতিকে ঢ (এক্স) হিসেবে সূচিত করা হয়। এভাবে গতি যত বারবে তার রেটও বারবে। যেমন ১৬ঢ, ২৪ঢ, ৫০ঢ ইত্যাদি।

সিডি ব্যবহারের সর্তকতাঃ ক্স সিডি সব সময় শুকনো হাতে ব্যবহার করা উচিৎ এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন আঙ্গুল সিডি পড়ার মসৃণ পৃষ্ট স্পর্শ না করে। ক্স সিডি রাখার আগে কভারের ভিতরের অংশটুকু পরিস্কার টিস্যূ পেপার মুছে নিলে কভারের পৃষ্ট ও সিডির নিচের অংশে সম্ভাব্য আচর পরার আশংকা কমে যায়। ক্স সিডির লেবেল সাইডে কোনো পেপার ষ্টিকার বা আঠা জাতীয় কোনো কিছু লাগানো যাবেনা। ক্স ধুলোবালি এবং আদ্র জায়গায় সিডি রাখা যাবেনা। ক্স সিডি পরিস্কারের জন্য বেনজিন, এ্যালকোহল, থিনার, রেকর্ড ক্লিনার বা এন্টিসেপটিক ব্যবহার করা যাবেনা। ক্স সিডি উহার প্লাসটিক কেসে রাখতে হবে এবং বাকানো যাবেনা। ডিভিডি(উঠউ – উরমরঃধষ ঠবধৎংধঃরষব উরংশ)ঃ সিডি রমের পরের সংস্করণ ডিভিডি। একে ডিজিট্যাল ভিডিও ডিস্ক নামেও ডাকা হয়। এর জনপ্রিয়তার মূল কারণ হচ্ছে উচ্চ ধারণ ক্ষমতা একটি ডিভিডি ডিস্কে ৪.৭ গিগাবাইট তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। সিডির মতো ডিভিডিও লেজার রশ্মি ব্যবহার করে কাজ করে। এটিকেও রিরাইট করা যায়না তবে আশা করা হচ্ছে রিরাইট্যাবল ডিভিডি শিঘ্রই বাজারে আসবে। ম্যাগনেটিক টেপ (সধমহবঃরপ ঃধঢ়ব)ঃ ম্যাগনেটিক টেপ এবং ক্যাসেট হচ্ছে তথ্য সংরক্ষনের জন্য দামী কিংন্তু সহজ ও সুন্দর পদ্ধতি। এতে খুব অল্প জায়গায় বিপুল পরিমান তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। ম্যাগনেটিক টেপের রীল দৈর্ঘে অনেক বড় হয়ে থাকে, অপরদিকে ক্যাসেট বা টেপ কার্টিজের দৈর্ঘ্য ছোট হয়। টেপের প্রস্থ ঙ্গ ইঞ্চি বা ১ ইঞ্চি ও দৈর্ঘ্য ২৪০০ ফুট হয়ে থাকে এবং এগুলো মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। অপর দিকে টেপ ক্যাসেট বা কার্টিজ প্রস্থে ঙ্ক ইঞ্চি ও দৈর্ঘে ১৪০ ফুট থেকে ৪৫০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে এবং সাধারণতঃ মাইক্রো কম্পিউটারে ব্যক্ষহৃত হয়।

 

LEAVE A REPLY