পাই নিয়ে কথকতা ও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য

0
7

গতকাল মহাসমারোহে উদযাপিত হল পাই দিবস।

গণিতপ্রেমীদের কাছে এই দিনটি বিশেষ অর্থ বহন করে।এই দিনটিতে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পাই নিয়ে অনেক উন্মাদনার সৃষ্টি হয়।কারণ, পাই নামক এই সংখ্যাটির যেমন রয়েছে মাহাত্ম্য,ঠিক তেমনি রয়েছে দূর্বোধ্যতা।এর কারণ হচ্ছে পাইয়ের মান কখনো শেষ হয় না।এটি অবিরাম চলতেই থাকে। আসুন পাইয়ের কিছু তথ্য আজ আমরা জেনে নেইঃ

১) পাই-এর সর্বোচ্চ সংখ্যক স্মরণ করেছেন যিনিঃ

 

২) পাই নিয়ে রয়েছে ভাষা! ঃপাই এর মান সর্বোচ্চ আবৃত্তি করেছেন যিনি, তার নাম হচ্ছে রাজবীর মীনা।ভারতের ভেলোরে তার অবস্থান। ২০১৫ সালের ২১ মার্চ তিনি পাইয়ের প্রায় ৭০,০০০ পর্যন্ত মান বলেন (দশমিকের পরের ঘর)।গিনেস বুক অব ওয়ার্লড রেকর্ডের তথ্যমতে,রাজবীর চীনের চাও লু এর রেকর্ডের ভেঙ্গে এই রেকর্ড গড়েছেন।চাও লু ২০০৫ সালে পাইয়ের দশমিকের পর ৬৭,৮৯০ পর্যন্ত মান আবৃত্তি করেছেন।

পাইলিশ নামের একটি ভাষা রয়েছে যেখানে অক্ষরগুলো সংখ্যা দিয়ে তৈরি এবং কিছু কিছু শব্দ পাইয়ের দশমিকের ঘরের সংখ্যাগুলোর সাথে মিলে যায়।মাইক রথ ২০১০ সালে “নট আ ওয়্যাক” নামের একটি বই লিখেছিলেন যেটি সম্পূর্ন পাইলিশ ভাষায় রচিত।

৩) হাতে গণনায় পাইঃ
যারা যারা পুরনো পদ্ধতিতেই পাইয়ের গণনা করতে চান,তাদের জন্য একটি স্কেল, একটি ক্যান, একটি প্রোট্যাকটর ও একটি পেন্সিল দরকার হবে এই পরিমাপটি করবার জন্য।পাই বলতে মূলত বৃত্তের একটি পরিধিকে বোঝায়।একটি ক্যানের নিচের গোল অংশটি কেটে সেখানে একটি তার বাঁধতে হবে।এরপর প্রোট্যাকটরের সাহায্যে এই পরিধি কিংবা পাই নির্ণয়ের কাজটি বেশ সহজেই করা যাবে।

৪) পাই আবিষ্কার করল কারাঃ

ব্যাবিলনীয় গণিতের ট্যাবলেট
ছবি সূত্রঃ গুগল

প্রাচীন ব্যাবিলনীয়রা পাইয়ের অস্তিত্বের কথা জানত।খ্রিস্টপূর্ব ১৯০০ সাল এবং খ্রিস্টপূর্ব ১৬৮০ সালের মাঝামাঝি সময়ে ব্যাবিলনীয়ানদের তৈরি ট্যাবলেটে পাইএর অস্তিত্বের জানান তারা বেশ ভালোভাবেই দেয়। এছাড়াও ঈজিপশিয়ান গানিতিক কিছু ডকুমেন্টেও পাইয়ের কথা বলা হয়েছে।

৫) পাই হচ্ছে স্বর্গীয় সংখ্যাঃ
বিজ্ঞানের নানা দিক থেকে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে পাই একটি স্বর্গীয় সংখ্যা।এর কারণ হচ্ছে, পাইএর মান এবং পাইয়ের নানা দৃষ্টান্ত আমাদের চারপাশের প্রকৃতিতে নানাভাবে ও নানা দিকে ছড়িয়ে আছে।বিজ্ঞানীরা এমনও বলেন যে,পাইয়ের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্বকে প্রমাণ করা যায়।

 

LEAVE A REPLY